শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এবার হজের খুতবা সরাসরি সম্প্রচার হবে বাংলাসহ ১৪ ভাষায় কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে সাড়ে তিন কোটি টাকা নান্দাইলে ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা, সংবর্ধনা ও আনন্দ র‌্যালী অনুষ্ঠিত নান্দাইল সরকারী শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের সুবর্ন জয়ন্তী বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত গবেষনায় পাঙ্গাস মাছ থেকে ১১ পণ্য উদ্ভাবন ধর্মীয় উসকানি নিয়ে যা ঘটছে তার জন্য নূপুর শর্মা দায়ী : ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নড়াইলে অধ্যক্ষকে জুতার মালা পরানো শিক্ষক টিংকুকে আ’লীগ থেকে অব্যাহতি নান্দাইল রোড রেলওয়ে স্টেশনে থেকে দেড় লাখ টাকার মূল্যের সরকারী গাছ কর্তন নান্দাইলে প্রয়াত শিক্ষক নেতা ইকবালের কবর জিয়ারত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় হলি আর্টিসানে নিহতদের স্মরণ

প্রবীণ সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই

স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২
  • ৪২ Time View

প্রবীণ সাংবাদিক, কালজয়ী অমর একুশে ফেব্রুয়ারি গানের গীতিকার, কলামিস্ট ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে লন্ডনে মারা যান তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ। এছাড়া একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক স্বদেশ রায়ও আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন।

১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়ার চৌধুরীবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। তার বাবা হাজী ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা জহুরা খাতুন।

১৯৫০ সালে আবদুল গাফফার চৌধুরী ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। মহিউদ্দিন আহমদ ও কাজী আফসার উদ্দিন আহমদ তখন ‍‘দৈনিক ইনসাফ’ পরিচালনা করতেন। ১৯৫১ সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ প্রকাশ হলে গাফফার চৌধুরী সেখানে অনুবাদকের কাজ নেন। এরপর তিনি বহু পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন।

মাসিক সওগাত, দিলরুবা, মেঘনা, ইত্তেফাক, আজাদ, জেহাদ ও পূর্বদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন বরেণ্য এই সাংবাদিক।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলা হয়ে কলকাতা পৌঁছান। সেখানে মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র সাপ্তাহিক জয়বাংলায় লেখালেখি করেন। এ সময় তিনি কলকাতায় দৈনিক আনন্দবাজার ও যুগান্তর পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবেও কাজ করেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দৈনিক জনপদ বের করেন।

১৯৭৩ সালে তিনি বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলজিয়ার্সে ৭২ জাতি জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যান তিনি। দেশে ফেরার পর তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে কলকাতা নিয়ে যান। সেখানে সুস্থ না হওয়ায় তাকে নিয়ে ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে যান। এরপর তার প্রবাসজীবনের ইতিহাস শুরু হয়।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, ছোটদের উপন্যাসও লিখেছেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘সম্রাটের ছবি’, ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’, ‘বাঙালি না বাংলাদেশী’সহ তার প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা প্রায় ৩০। এছাড়া তিনি কয়েকটি পূর্ণাঙ্গ নাটক লিখেছেন। এর মধ্যে আছে ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ’, ‘একজন তাহমিনা’ ও ‘রক্তাক্ত আগস্ট’।

তার কালজয়ী রচনা ‌‌‌’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গাফফার চৌধুরী। ১৯৬৩ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার পান তিনি। এছাড়া বাংলা একাডেমি পদক, একুশে পদক, শেরেবাংলা পদক, বঙ্গবন্ধু পদকসহ আরও অনেক পদকে ভূষিত হয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews