বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘ক্রাউন জুয়েল’ বা ‘মুকুট মণি’ শেখ হাসিনা মালয়েশিয়া বৃক্ষরোপণ খাতে ৩২ হাজার বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেবে ফলোআপ :নান্দাইলে স্ত্রী হত্যার মামলার প্রধান আসামী স্বামী গ্রেফতার থানায় অভিযোগ করায় বাশেঁর বেড়া দিয়ে জায়গা দখল ॥ পুকুরের মাছ বিক্রি জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী নান্দাইলে পল্লীতে জমি নিয়ে বিরোধ ॥ গাছের চারা ॥ পুকুরের মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ সালমানের উপস্থাপনার জন্য পারিশ্রমিক ৩৫০ কোটি! দেশে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী নাইন-ইলেভেন হামলার পর আফগান ইস্যুতে আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্বে বিপদে পড়ে পাকিস্তান নিয়োগ : নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে

বিস্ফোরণ : হামলাকারীদের সমূলে নির্মূল করবে আমেরিকা: বাইডেন

জিএসএন নিউজ ২৪ ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৪ Time View
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

ইসলামিক স্টেট খোরাসান কাবুল বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে। হামলাকারীদের সমূলে নির্মূল করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জোড়া বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কাবুল বিমানবন্দর।

মার্কিন সেনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অন্তত ১০০ জন নিহত হয়েছেন বিস্ফোরণে। আহত ১৪০ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৩ জন মার্কিন সেনার। ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই জরুরি বৈঠকে বসেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে হোয়াইট হাউস থেকে এক টেলিভিশন বিবৃতিতে তিনি জানান, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে না। সমূলে নির্মূল করবে আমেরিকা। খবর ডয়েচে ভেলের।

তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের সম্পর্ক সবসময়ই বেশ ভালো। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তালেবানকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে বহুবার। গনি সরকারবিরোধী যুদ্ধে তালেবানকে সহায়তার অভিযোগও আছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। পাকিস্তান অবশ্য সে অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ওপরের ছবিতে পাকিস্তানের খাইবার জেলার আফগানিস্তান সংলগ্ন তোরখাম সীমান্তে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পাহাড়া দিচ্ছে তালেবান ও পাকিস্তানের সেনারা।

এ দিন রাতেই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে আইএসআইএস খোরাসান গোষ্ঠী। সম্প্রতি এই গোষ্ঠীটিকে নিয়ে সতর্ক করেছিল মার্কিন এবং যুক্তরাজ্যের সেনা। তারা জানিয়েছিল, কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে এই গোষ্ঠীটি অস্ত্র নিয়ে তৈরি হচ্ছে। যে কোনো সময় তারা আক্রমণ চালাতে পারে। বৃহস্পতিবার সে কথাই সত্য হলো। দুই আত্মঘাতী জঙ্গি কাবুল বিমানবন্দরের মূল ফটকে এবং বিমানবন্দর থেকে সামান্য দূরে বিস্ফোরণ ঘটায়। দুইজনেই মানববোমা ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে গোলাগুলির শব্দও পাওয়া যায়।

মার্কিন সেনা ছাড়াও বহু আফগান নাগরিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিমানবন্দরের বাইরে ২৮ জন তালেবান রক্ষীরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাইডেন বলেছেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আঘাত হানবে মার্কিন সেনা। তাদের চরম জবাব দেওয়া হবে। তবে একইসঙ্গে বাইডেন বলেছেন, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উদ্ধারকাজ বন্ধ করা যাবে না। যে গতিতে উদ্ধারকাজ চলছে, তা জারি রাখা হবে। একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, এই হামলার ঘটনার তালেবানের কোনো হাত নেই। অর্থাৎ, আইএসআইএস খোরাসানের সঙ্গে তালেবান হাত মেলায়নি। বরং তারা ওই গোষ্ঠীর বিরোধী।

ঘটনার পরে জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের সেনার কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন তিনি।

বাইডেন জানিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষকে আফগানিস্তান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি সংস্থায় কাজ করা বহু আফগানও আছেন। আর এক হাজার মার্কিন নাগরিক এখনো আফগানিস্তানে আটকে আছেন বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। ৩১ অগাস্টের মধ্যই তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ৩১ অগাস্টের পর কোনো ভাবেই মার্কিন সেনা আফগানিস্তানে থাকবেন না বলে এদিন ফের জানিয়েছেন বাইডেন।

এদিকে, বৃহস্পতিবারের ঘটনার নিন্দায় গোটা বিশ্ব। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ঘটনার নিন্দা করেছেন। তবে দুইজনেই জানিয়েছেন, তাদের দেশের নাগরিকদের আগেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। তাই বিস্ফোরণে তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কানাডাও একই কথা জানিয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews