রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নান্দাইলে তালাবদ্ধ ঘর থেকে হাত-পা বাধা অবস্থায় ব্যবসায়ীর লাশ উদ্বার ॥ নতুন উইন্ডোজ ১১ এর নকশা ফাঁস মোবাইল কিংবা কম্পিউটারের স্ক্রিনে একটানা কাজ করেন? নান্দাইলে মরহুম আব্দুল জলিল শিক্ষা ফাউন্ডেশন উদ্যোগে গরিব, মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে বিনামূলে শিক্ষা সামগ্রী বিতরন ফিলিস্তিনি বৃদ্ধ ইমামকে আটক করল ইসরাইল সত্য নাদেলা মাইক্রোসফটের নতুন চেয়ারম্যান চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা : ডিবি ইউপি নির্বাচন স্বরূপকাঠিতে নৌকা সমর্থকদের হামলায় চারজন আহত চরফ্যাসনে ইউনিয়ন  পরিষদ নির্বাচনীয় আচরনবিধি ও আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত।  নান্দাইলে পালক পুত্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ নিরীহ পুঙ্গু অলিউল্লাহর পরিবার ॥

করোনা  উপেক্ষা করে চরফ্যাশনে জমে উঠেছে ঈদবাজার। 

মাইন উদ্দিন জমাদার, চরফ্যাশন ভোলা প্রতিনিধি
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১
  • ৩৭ Time View
করোনা ভাইরাস উপেক্ষা করে জমে উঠেছে চরফ্যাশন  ঈদ বাজার। শিশু, নারী-পুরুষের পদচারনায় সরগরম বিপণি বিতানগুলো। সবচেয়ে কদর বেশী ইন্ডিয়ান-পাকিস্তানী পোষাকের। ক্রেতারা তাদের পছন্দ মত জামা-জুতা পোশাক-প্রসাধনী ইত্যাদি ঈদপন্য কিনে নিচ্ছেন।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনাবেচা। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে বাজারে ক্রেতাদের ভীড়ও তত বাড়ছে। এছাড়া পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত টেইলার্স কারিগড়রা। রাত জেগে কাজ করছেন তারা। গত বছরের চেয়ে এ বছর পোশাক তৈরি বেশি হচ্ছে বলে দাবী করেন চরফ্যাশন জেলাপরিষদ ডিয়ার  টেইলার্স মাইনউদ্দিন সিকদার । গত বছরের তুলনায় এ বছর ঈদ বাজার অনেক জমজমাট।
জানাগেছে, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রামণের আতঙ্ক বিরাজ করলেও থেমে নেই মানুষ। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে মানুষ ততই বাজারমুখী হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলছে মানুষের ক্রয়-বিক্রয়। স্বাস্থ্য বিধি রক্ষায় প্রশাসনের তেমন পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ সচেতন নাগরিকের। শুক্রবার থেকে ঈদ বাজার জমে উঠেছে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে বেচাকেনা। ঈদ বাজারে ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানী পোশাকের চাহিদা বেশী। মেয়েদের পাকিস্তানী বারিশ পোশাকটি প্রকার ভেদে ৩ হাজার ৫ ’শ থেকে ৫ হাজার ৫’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চরফ্যাশন বাজারের  ফ্যাশন গার্মেন্টস এর মালিক প্রিন্স বলেন নানান কারনে   ইন্ডিয়ান বুটিক্স মানেই ঈদে আনন্দকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
মেহেদী বস্রালয়ের মালিক বলেন, পাকিস্তানী বারিশ, ইন্ডিয়ান বুটিক্স, হাফ সিল্ক ও ভিনয় থ্রিপিস বেশী বিক্রি হচ্ছে। পার্টি শাড়ী, গোলভানু, স্বর্ণকাতান, কাতান, ইন্ডিয়ান সিল্ক, পাকিস্তানী জামদানী, টাঙ্গাইল, সিনথেটিক্স জামদানী, ঢাকাইয়া জামদানী, কুচি প্রিন্স শাড়ী, লংফ্রোগ ও ল্যাহেঙ্গা বিক্রি হচ্ছে। তারা আরো বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর বিক্রিআমতলী বাজার ঘুরে দেখাগেছে, ইন্ডিয়ান বুটিক্স ৮ হাজার থেকে ৯ হাজার, পাকিস্তানী বারিশ ৩ হাজার ৫’শ থেকে ৫ হাজার, তাওক্কাল ৪ হাজার ৫’শ থেকে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
 অনেক ভালো।
অঙ্গ বিলাশের মালিক বলেন অবন্তিকা ১০ হাজার থেকে ১৬ হাজার, জোবেদা ৬ হাজার ১০ হাজার, সাকিলা ৪ হাজার ৫’শ থেকে ১০ হাজার, নিত্তি ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার, বিবেক ৩ হাজার ৫’শ থেকে ৫ হাজার, লিভিনা ৩ হাজার ৫’শ থেকে ৫ হাজার ৫’শ, ফিওনা ৬ হাজার ৫’শ থেকে ৮ হাজার ও আমিরাও ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শাড়ী সাউথ কাতান ৫ হাজার ৫’শ থেকে ১৬ হাজার, জর্দান সিল্ক ৪ হাজার ৩’শ থেকে ৮ হাজার ৩’শ টাকা ও জামদানী ৫ হাজার ৩’শ থেকে ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা শিক্ষক হারুন ব্যাপারি বলেন  এ বছর পোশাকের ধরন বদলে গেছে এবং দামও একটু বেশী।
ক্রেতা শারমিন আক্তার  বলেন, পাকিস্তানী বারিশ ফ্যাশনের একটি থ্রিপিস ৪ হাজার ৫’শ টাকায় ক্রয় করেছি। তিনি আরো বলেন, দাম একটু বেশী হলেও ভালো মানের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে।
ক্রেতা তামান্না ইসলাম  বলেন, ফ্যাসন গার্মেন্টস  থেকে কেনাকাটা করেছি। চাহিদামত মালামাল পাওয়া যায়।
শিমলা গার্মেন্টস এর  পরিচালক আক্তার  বলেন, ঈদকে সামনে রেখে বিক্রি অনেক ভালো। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। সেলসম্যানদের ক্রেতাদের সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
রোকেয়া গার্মেন্টস  এর    বলেন, পাকিস্তানী বারিশ, বিবেক থ্রিপিস বেশী বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, করোনার মধ্যে গত বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রয় ভালো।
আকন বস্ত্রালয়ের মালিক মোঃ কামাল আকন বলেন, করোনার মাঝেও বিক্রয় ভালোই হচ্ছে। দামও সাধ্যেও মধ্যে তাকায় মানুষ সাচ্ছন্দে কিনে নিচ্ছে। সোমবার (৩ মে) আমতলী পৌর শহরের আকন বস্ত্রালয়, মদনমোহন বস্ত্রালয়, সিরাজ উদ্দিন বস্ত্রালয়,ইসলামিয়া বস্ত্রালয়, মাসফি চয়েজ ও সারমিন ফ্যাসন হাউস ঘুরে দেখা ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। নারী ও পুরুষরা মিলে পছন্দের পোশাক ক্রয় করছে। এ সকল বিপণি বিতানগুলোতে ভিনয় , ল্যাহেঙ্গা, জর্জেট জামদানী, সিল্ক, টাঙ্গাইল, লোন ও বারিশ থ্রিপিস বেশী বিক্রি হচ্ছে।
চরফ্যাশন  থানার ওসি মনির হোসেন মিয়া  স্বাস্থ্যবিধি মেনে মানুষকে বাজারে আসার কথা ব্যক্ত করে বলেন, ঈদকে সামনে রেখে বাজারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোড়দার করা হয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত কেনাকাটা করে মানুষের বাড়ী ফিরে যেতে যেন সমস্যা না হয়।
Total Page Visits: 58 - Today Page Visits: 0

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews