মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প:প: কর্মকর্তার  বিদায়ী সংবর্ধনা ও নবাগত কর্মকর্তা ডা:মেহেরুবা পান্নার বরণ অনুষ্ঠিত ফেইসবুক লাইভে সার্টিফিকেট পোড়ানো মুক্তাকে চাকরি দিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী সংঘাতে নয়, বাংলাদেশ শান্তিতে বিশ্বাসী : প্রধানমন্ত্রী নান্দাইলে মরহুম আব্দুল জলিল মানবকল্যান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিনামুল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরন নান্দাইলে বাল্যবিয়ের ১০ দিনের মাথায় ‘অভিমানে স্বামীর’ আত্মহত্যা গোপালগঞ্জে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন হরিরামপুরে আন্ধারমানিক মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলার জার্সি উন্মোচন হরিরামপুরে নারীকাটি এলাকায় বহিরাগত এক কৃষকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

দুস্থের চাল জনপ্রতিনিধিদের ভাগাভাগি

আলম ফরাজী
  • Update Time : শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩
  • ১০৪ Time View

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নে দুস্থ নারীদের জন্য ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডাব্লিউবি) প্রকল্পের কার্ডধারীদের জন্য বরাদ্দের চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া প্রতিটি কার্ডের জন্য ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

 

উপজেলা মহিলাবিষয়ক কার্যালয় সূত্র জানায়, গত মাসের মাঝামাঝিতে মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের ২৭৩ জন দুই নারীর নামে তিন মাসের চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ ইউনিয়ন পরিষদে এই চাল বিতরণ করা হয়। অথচ ওই বরাদ্দের চাল পাননি ওই ইউনিয়নের অন্তত ১৭ জন কার্ডধারী। গত বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নে যান এই প্রতিবেদক। এ সময় ওই ইউনিয়নের কাদিরপুর গ্রামের ১০ জন দুস্থ নারী তাঁকে জানান, কয়েক মাস আগে তাঁদের প্রত্যেকের কাছ থেকে কার্ড দেওয়ার কথা বলে ৫০০ টাকা, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি নিয়েছিলেন ওই করব।’ ওয়ার্ডের সদস্য কামরুল। কিন্তু তাঁরা বরাদ্দের চাল পাননি, কার্ডও পাননি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তাঁদের নামও তালিকায় রয়েছে; কিন্তু ইউপি সদস্য কামরুল তাঁদের কিছুই জানাননি। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ওই ইউপি সদস্য কার্ডগুলো তাঁদের দেন তবে চাল দেওয়া হয়নি। একই অভিযোগ জানান, ৩, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আরো সাতজন।

 

 

 

 

কাদিরপুর গ্রামের তাছলিমা নামের কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এক নারী জানান, চালের বিষয় জানতে চাইলে ইউপি সদস্য কামরুল জানান দুই বছর মেয়াদের কার্ডের জন্য এক বছরের চাল তিনি ও ইউপি নেওয়া হবে। চেয়ারম্যান পাবেন। এর পরের বছরের চাল পাবেন কার্ডধারী। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য কামরুল জানান, এর মধ্যে অনেক কার্ড তিনি পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছেন। এই জন্য বিতরণ না করে তিনি নিজেই চাল উত্তোলন করেছেন। কার কাছ থেকে কিনেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। বিষয়টা চেপে যান। আমি ব্যবস্থা মোয়াজ্জেমপুর ইউপি চেয়ারম্যান তাছলিমা আক্তার শিউলি ১৭টি কার্ড নিজে উত্তোলনের কথা স্বীকার করে বলেন, “এইবার একটু ম্যানেজ করেন। আর এমন হবে না। উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা রাশিদা রহমান বলেন, মহিলাবিষয়ক কার্যালয় থেকে কার্ড সরাসরি উপকারভোগীকে দেওয়ার কথা থাকলেও কার্ড ১৭টি নিয়ে যান। ইউপি চেয়ারম্যান। এখন যদি এটা নিয়ে অনিয়ম হয় ঊর্ধ্বতন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল মনসুর জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: কালের কন্ঠ

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews