শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এফবিআইয়ে ৪ ঘণ্টা তল্লাশি বাইডেনের বাড়িতে শ্রীনগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা নান্দাইলে কলেজ ছাত্র বাপ্পির হত্যাকারিদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন যৌথ অভিযান বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনে ছাত্রলীগ থেকে আ’লীগে পদ পেয়ে বেপরোয়া কয়রার বাহারুল দেশে সাহিত্য চর্চা বাড়লে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দূর হবে: প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ আসন বুঝে মনোনয়ন দেওয়ার পরিকল্পনা  নির্বাচনে টানা বিজয়ের ছক কষছে, নৌকার অনুকূলে গণজোয়ার সৃষ্টির কৌশল কয়রায় কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ লোপাট ভাষার মাসের প্রথমদিনে বাংলায় রায় দিলেন হাইকোর্ট স্বপ্নদ্রষ্টার সত্য প্রতিষ্ঠায় অবিচল থাকুক যুগান্তর

আগামীকাল ১১টায় সমাবেশ, পুলিশের সহযোগিতা চাইল বিএনপি

জিএসএন নিউজ ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৭৭ Time View
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনছবি: সংগৃহীত

আজ এই অনুমতি মেলার পরপরই সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি। সেখানে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘কাল বেলা ১১টায় সমাবেশ শুরু হবে। গোলাপবাগে মঞ্চ তৈরি, মাইক লাগানো এবং নিরাপত্তার জন্য পুলিশের সহযোগিতা চাই আমরা।’

এই সমাবেশে দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মী সমর্থকসহ সর্বস্তরের জনগণকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানান খন্দকার মোশাররফ। তিনি বিশেষ করে ঢাকাবাসীকে সমাবেশের উপস্থিত থেকে ‘ সরকারের জুলুম, অত্যাচার , নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার’ আহ্বান জানান। এ ছাড়া বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনে যারা শরিক আছে তাদেরও যার যার অবস্থানে থেকে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। সমাবেশে সরকারের বিরুদ্ধে যে ১০ দফা রূপরেখা দেওয়া হবে তার প্রতি সমর্থন জানানোর আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), সেলিমা রহমান, দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, আবদুল আউয়াল (মিন্টু), এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় তিন মাস আগে বিএনপি ১০ বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর গণসমাবেশ করতে নয়াপল্টনের জন্য অনুমতি চেয়ে গত ১৩ নভেম্বর ও ২০ নভেম্বর ডিএমপি কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন করেছিল বিএনপি।

বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায়। কিন্তু ডিএমপি বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে বলে। পরে নয়াপল্টন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বিকল্প ভেন্যু নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা হয়।

সমাবেশস্থল নির্ধারণ নিয়ে আলোচনার মধ্যে গত বুধবার বিকেলে নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে একজন নিহত হন। এর পর থেকে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews