শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এফবিআইয়ে ৪ ঘণ্টা তল্লাশি বাইডেনের বাড়িতে শ্রীনগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা নান্দাইলে কলেজ ছাত্র বাপ্পির হত্যাকারিদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন যৌথ অভিযান বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনে ছাত্রলীগ থেকে আ’লীগে পদ পেয়ে বেপরোয়া কয়রার বাহারুল দেশে সাহিত্য চর্চা বাড়লে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দূর হবে: প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ আসন বুঝে মনোনয়ন দেওয়ার পরিকল্পনা  নির্বাচনে টানা বিজয়ের ছক কষছে, নৌকার অনুকূলে গণজোয়ার সৃষ্টির কৌশল কয়রায় কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ লোপাট ভাষার মাসের প্রথমদিনে বাংলায় রায় দিলেন হাইকোর্ট স্বপ্নদ্রষ্টার সত্য প্রতিষ্ঠায় অবিচল থাকুক যুগান্তর

একমাত্র ছেলে সড়কে প্রাণ যাওয়া তরুণের মাকে ধান কেটে দিলেন বন্ধুরা

জিএসএন নিউজ ডেস্ক
  • Update Time : রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১০০ Time View
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তরুণের বন্ধুরা খেতের ধান কেটে দিচ্ছেন। একটু দূরে দাঁড়িয়ে সেটা দেখছেন মা জোছনা বেগম। আজ সকালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পুটিয়ালির চর গ্রামে।

জোছনা বেগমের বাড়ি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পুটিয়ালিচর গ্রামে। তাঁর ছেলের নাম জহিরুল ইসলাম ওরফে বাবু। গত ১ আগস্ট মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় জহিরুল মারা যান। তিনি তাঁর মায়ের একমাত্র অবলম্বন ছিলেন। মা আর ছোট বোনকে নিয়ে তিনজনের সংসারের দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপরই। দুটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে সংসারের খরচ চালাতেন তিনি।

এ ছাড়া জহিরুল ‘দাপুনিয়া-ঘাগড়া হেল্পলাইন’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই সংগঠনের পরিচালক মো. রাকিব বলেন, জহিরুল মারা যাওয়ার পর তাঁর মা একা থাকেন। মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। যে কারণে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বন্ধুরা জোছনা বেগমের খোঁজখবর রাখেন। জহিরুলের মায়ের নিজের জমি নেই। বাড়ির পাশে লিজ নেওয়া চার কাঠা জমিতে তাঁরা বন্ধুরা মিলে ধান লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এখন সেই ধান কেটে দিচ্ছেন।

জোছনা বেগম বলেন, ছেলের বন্ধুদের দেখলে মনটা একটু ভালো হয়। পরক্ষণেই মনটা খারাপ হয়ে যায় তাঁর। বসার ঘরে ছেলের সঙ্গে একটা ছবি আছে, সেই ছবিটাই সারা দিন দেখেন। এরপর বললেন, ‘ছেলে যাওয়ার পর আমার জীবনে আর কোনো আনন্দ নেই। ছেলের বন্ধুরা আমার বাড়ি এলে খুব ভালো লাগে। তাঁদের প্রতি আমি খুব কৃতজ্ঞ।’

 

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা আজ রোববার বললেন, মানুষের কষ্টে পাশে দাঁড়াতেন জহিরুল। সুনামগঞ্জে এবার বন্যা হলে তিনি বন্যার্ত মানুষের কাছে যান ত্রাণসহায়তা নিয়ে। ছয়বার স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়েছেন তিনি। গ্রামের খালে সেতু ছিল না, জহিরুল উদ্যোগী হয়ে খালের ওপর প্রায় ৪০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকো করার উদ্যোগ নেন। গ্রামের মানুষ সে কথা মনে রেখেছে।

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews