শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এফবিআইয়ে ৪ ঘণ্টা তল্লাশি বাইডেনের বাড়িতে শ্রীনগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা নান্দাইলে কলেজ ছাত্র বাপ্পির হত্যাকারিদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন যৌথ অভিযান বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনে ছাত্রলীগ থেকে আ’লীগে পদ পেয়ে বেপরোয়া কয়রার বাহারুল দেশে সাহিত্য চর্চা বাড়লে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দূর হবে: প্রধানমন্ত্রী আ.লীগ আসন বুঝে মনোনয়ন দেওয়ার পরিকল্পনা  নির্বাচনে টানা বিজয়ের ছক কষছে, নৌকার অনুকূলে গণজোয়ার সৃষ্টির কৌশল কয়রায় কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ লোপাট ভাষার মাসের প্রথমদিনে বাংলায় রায় দিলেন হাইকোর্ট স্বপ্নদ্রষ্টার সত্য প্রতিষ্ঠায় অবিচল থাকুক যুগান্তর

ময়মনসিংহে জাল টাকার কারবারির আলিশান ভবন

জিএসএন নিউজ ডেস্ক
  • Update Time : বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২
  • ১১১ Time View
জাল টাকার ব্যবসায়ী সেলিমের গ্রামের বাড়িতে নির্মাণ করা হচ্ছে আলিশান ভবন। গতকাল দুপুরে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার দুমডি গ্রাম থেকে তোলা।

নিজ গ্রামে ‘সিঙ্গাপুরপ্রবাসী সেলিম’ হিসেবে পরিচিত তিনি। অথচ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে থেকে তৈরি করেন জাল টাকা। গত শনিবার তাঁর ভায়রার দুই ছেলে জাল টাকা নিয়ে ধরা পড়ার পর অনুসন্ধানে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে।

সেলিম মিয়া নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের ডুমদী গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে।

জাল টাকা তৈরির ঘটনায় সেলিমসহ তাঁর শ্বশুরবাড়ির আটজনের বিরুদ্ধে গত রবিবার ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়।

 

জানা যায়, গত শনিবার সেলিমের ভায়রা ভাইয়ের দুই ছেলে ৯০ হাজার জাল টাকা নিয়ে ধরা খাওয়ার পর ঈশ্বরগঞ্জের রাজীবপুর ইউনিয়নের বৃ-দেস্থান গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সেলিমের শ্বশুর আবুল কাশেমের বাড়ি থেকে আরো ২৪ লাখ জাল টাকা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় গত রবিবার কালের কণ্ঠে ‘দুই শিশু টাকা ভাঙাতে গেলে জাল নোট তৈরির কারখানার খোঁজ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

রাজীবপুরবাসী জানায়, সেলিম ছয়-সাত মাস আগে ঢাকায় র‌্যাবের হাতে বিপুল পরিমাণ জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় জেল খাটার পর সম্প্রতি তিনি জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।

এদিকে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের ডুমদী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিশাল পাকা বাড়ি তৈরি করছেন সেলিম। বাড়ির চারপাশ উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। ভেতরে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক পাকা বাড়ি।

ডুমদী গ্রামের লোকজন জানান, সেলিমের বাবা আব্দুল আজিজের কোনো সহায়-সম্পত্তি ছিল না। পরের জমিতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বাবা মারা যাওয়ার পর গত ১০ বছরে তাঁদের সব দ্রুত বদলে যাচ্ছে। হঠাৎ করে আলিশান বাড়ি তৈরি করার ঘটনাটি তাঁদের কাছে ধাঁধার মতো মনে হচ্ছে।

কেন্দুয়ার গড়াডোবা ইউপি সদস্য আবু হানিফা বলেন, ‘এলাকার সবাই তো জানে, সেলিম ও তাঁর আরেক ভাই দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুর থাকেন। সেখানের টাকা দিয়ে অল্প দিনেই নিজেদের বদলে দিয়েছেন। ’

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি পীরজাদা শেখ মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ‘মামলার এজাহারে আবুল কাশেম, তাঁর স্ত্রী, দুই নাতি, তিন মেয়ের জামাই, এক ছেলেসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় আরো সাত-আটজনকে আসামি করা হয়েছে। মেয়ের জামাইদের মধ্যে সেলিম মিয়া একজন। অন্যরা হচ্ছেন কাউসার ও রাহাবুল ইসলাম রনি। ’

সূত্র: কালের কন্ঠ

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2023
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews