বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২০, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তিতে বয়সের বাধা থাকছে না নওগাঁয় এক হাজার আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম কাম-মাল্টিপারপাস হল নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ  পুলিশের বিশেষ অভিযানে পল্লী বিদ্যুতের লাইন ম্যান সহ পাঁচজন আটক ॥ ইয়াবা ও মটরসাইকেল উদ্ধার বেতনের টাকা দিয়ে বৃদ্ধকে দোকান করে দিলেন বদলগাছীর ইউএনও আবু তাহির আগামী ৬ জুলাই থেকে দুবাই ও আবুধাবি রুটে বিমানের ফ্লাইট বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত: বাংলাদেশিদের হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা আরও বেড়েছে ছয় মাসে, বিএসএফ বলছে আক্রান্ত হলে গুলি চলে বিজ্ঞাপন বয়কট কি ফেসবুককে শেষ করে দিতে পারে? ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি সম্পাদক পরিষদের তীব্র নিন্দা রংপুরে দুলাভাইয়ের বাড়িতে শ্যালিকার আত্মহত্যা দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা : নান্দাইল জমিয়াতুল মোদার্রেছীন নেতৃবৃন্দের নিন্দা

শিশুদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা অবৈধ ঘোষণার রায় প্রকাশ

জিএসএন নিউজ২৪ ডেস্ক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২০
  • ৫০ Time View
Loading...
Loading...
Loading...

ভ্রাম্যমাণ আদালতে (মোবাইল কোর্টে) শিশুদের সাজা দেয়া অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের বিচারকরা রায়ের কপিতে স্বাক্ষর করার পর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৩১ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশ করা হয়। বৃহস্পতিবার ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান রায় প্রকাশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। রায়ে ১২১ শিশুকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্টে) দেয়া সাজা বাতিল করা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, ‘শিশুর বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযোগের বিচার শুধু শিশু আদালতেই করতে হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত দূরের কথা, অধস্তন আদালতের কোনো বিচারক যদি শিশুদের বিচার করেন সেটিও হবে বে-আইনি।’

‘কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু একত্রে জড়িত থাকলেও শিশুর বিচার শুধু শিশু আদালতই করবে। অন্য কোনো আদালত দণ্ড দিলে তা অবৈধ হবে। শিশুদের মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) কোনো দণ্ড দিতে পারবে না। কারণ, মোবাইল কোর্ট কোনো শিশুকে দণ্ড দিলে সেই দণ্ড সংবিধানের ৩০ এবং ৩৫ অনুচ্ছেদে মৌলিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে। ১২১ শিশুকে দণ্ডদানের ক্ষেত্রেও মৌলিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।’

এর আগে গত ১১ মার্চ এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

Loading...

আদালত তার রায়ে বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে একইসময়ে ওই ১২১ শিশুকে যে প্রক্রিয়ায় সাজা দেয়া হয়েছে তা মানবাধিকারের লঙ্ঘন এবং অমানবিক। একইসঙ্গে এই ধরনের সাজাপ্রদান আমাদের বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বহির্বিশ্বে দেশের সুনামকে ব্যাহত করেছে। তাই এখনই তা বন্ধ করতে হবে।’

শিশুদের সাজা বাতিল করে আদালত বলেন, ‘১২১ শিশুর সাজা বাতিলের ফলে তারা যে পুরোপুরি নিষ্পাপ এটা প্রতিষ্ঠিত হলো। ভবিষ্যতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজার ছায়াও যেন তাদের জীবনে না পড়ে।’

২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেয়া দণ্ডে যশোর ও টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে অন্তরীণ ১২১ শিশুকে মুক্তির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শিশুদের দেয়া দণ্ড ও আটকাদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। আদালতের আদেশে পরে এসব শিশুকে মুক্তি দেয়া হয়।

এর আগে “আইনে মানা, তবু ১২১ শিশুর দণ্ড’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে হাইকোর্ট শিশুদের মুক্তির নির্দেশ ও রুল জারি করেন। প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে এনে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

Advertisements

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2018
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews