সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ০১:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

কেন্দুয়ায় কর্মসৃজন প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের দাবি মেম্বারের

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১০ মে, ২০২০
  • ৫ Time View

নেত্রকোণা ( কেন্দুয়া ) প্রতিনিধি: কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের কর্মসৃজন প্রকল্পে অনিয়ম দুর্ণীতি ও টাকা না দেওয়ায় ৫৭ জন শ্রমিক চাটাইয়ের অভিযোগের তদন্ত সোমবার অনুষ্টিত হবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের উপসহকারি প্রকৌশলী কাজী মাজহারুল ইসলামকে এই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এদিকে বলাইশিমুল ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার নয়ন মিয়া অভিযোগ করে বলেন ইউপি চেয়ারম্যান আলী আকবর তালুকদার মল্লিক উপ-সহকারী প্রকৌশলীর যোগসাযষে আমার ওয়ার্ডের ১৭ জন শ্রমিক সহ ইউনিয়নের মোট ৫৭ জন শ্রমিকের নাম বেআইনি ভাবে কেটে দিয়েছেন। করোনা দূর্যোগ কালেও এই শ্রমিকরা কাজ করার পরও টাকা না দেয়ায় শ্রমিকদের নাম কেটে দেয়ার ঘটনা দুঃখজনক। ইউপি মেম্বার নয়ন মিয়া বলেন আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কাছে ওই তদন্তকারী কর্মকর্তর পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন। নয়ন মিয়া অভিযোগ করে বলেন যে কর্মকর্তা চেয়ারম্যানকে নিয়ে অনিয়ম দূর্ণীতির সঙ্গে জড়িত সেই কর্মকর্তাই যদি আবার অভিযোগের তদন্ত করেন এই তদন্ত হবে তামাশা। আমরা চাই এই কর্মসৃজন প্রকল্পের অনিয়ম দূর্ণীতির সুষ্ট তদন্ত হোক। শ্রমিকরা ফিরো ফাক তাদের ন্যায্য অধিকার। তদন্ত ও তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মৃধা মুঠো ফোনে বলেন, তদন্ত আজ রোব বার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সময় চাওয়ায় সোম বারে তদন্ত অনুষ্ঠিত হবে। তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন ডিপার্টমেন্ট কাকে দিয়ে অভিযোগের তদন্ত কারাবে সেটা বুঝবে ডিপার্টমেন্ট। অভিযোগকারীদের কাথায় তো আর ডিপার্টমেন্ট চলবে না। তারা চাইলেই সবকিছু হবে না। ডিপার্টমেন্ট চলবে ডিপার্টমেন্টের নিয়মে। উল্লেখ্য যে গত ৪ মে কর্মসৃজন প্রকল্পের ছাটাই করা ১১ জন শ্রমিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর তাদের অভিযোগের কথা তুলি ধরে একটি আবেদন করেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলাম অভিযোগটি তদন্তের জন্য উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। এদিকে তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ সহকারী প্রকৌশলী কাজী মাজহারুল ইসলাম বলেন শ্রমিকদের নাম কাটার বিষয়ে আমার যোগসাজশের প্রশ্নই আসে না। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চেয়ারম্যান-মেম্বারগন মিটিং করে যে রেজুলেশন করে শ্রমিকদের বাদ দিয়েছেন সেটি আমরা গ্রহণ করেছি। এখানে আমাদের কোন স্বার্থ নেই।

জিএসএন/এসএফ/ সমরেন্দ্র বিশ^শর্মা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews