তৃণমূলের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন অপু কাদির আসাদুল

ময়মনসিংহ রাজনীতি

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা ঃ বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ারের মতন প্রাণের উচ্ছাসে তৃণমূল নেতাকর্মীদের হৃদয়ের গভীর ভালোবাসায় সিক্ত হলেন নব নির্বাচিত কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট আব্দুর কাদির ভূঞা, সাধারন সম্পাদক পৌর মেয়র মোঃ আসাদুল হক ভূঞা। তাদের সঙ্গে তৃণমূল নেতাকর্মীরা অধ্যাপক অপু উকিলের গলায় ফুলের মালা পড়িয়ে দিয়ে বিজয়ের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেন। শনিবার রাতে ফলাফল ঘোষনা করার পর উকিল বাড়িতে অধ্যাপক অপু উকিলও তৃণমূল নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন। শনিবার অনুষ্ঠিত হয় কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। ষোল বছর পর এই সম্মেলন অনুষ্ঠানের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠা ছিল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক নেত্রকোনা-৩ আসনের এম.পি অসীম কুমার উকিলের। সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে তিনি তার বক্তব্যে তুলে ধরে বলেছেন, আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না। তবে এ কথা নির্দ্বিধায় বলতে চাই, বিগত ১০ বছরে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সম্পাদক মন্ডলীর একজন সদস্য হয়েও কেন্দুয়া আটপাড়া আওয়ামীলীগের কোন মঞ্চে বক্তব্য দিতে পারিনি। তিনি বলেন, ষোল বছর ধরে সম্মেলন হয়না। এই ষোল বছরে ৩ বছর অন্তর অন্তর সম্মেলন হলে অন্তত ৫টি সম্মেলন হতো। তাতে ১০ জন সভাপতি সম্পাদক বেড়িয়ে আসতেন। নেতৃত্বের ঝট সৃষ্টি হতনা। নেতৃত্বের ঝট ভাঙ্গার জন্যেই আমি কঠিন ভাবে চেয়েছি সম্মেলনটি দ্রুত হোক। এখন থেকে আওয়ামীলীগ ও সব সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন সময়মতো নিয়ম মাফিক হতে হবে। মাসের পর মাস বছরের পর বছর নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। তার এই বক্তব্যকে শত শত নেতাকর্মী করতালি দিয়ে স্বাগত জানায়। দীর্ঘদিন পর নেতাকর্মীরা সম্মেলনে যোগদিতে পেরে তারা মনের আনন্দে মেতে ওঠেন। কাউন্সিলরদের সমর্থন নিয়ে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক আসাদুল হক ভূঞাকে তার ভক্ত অনুসারীরা ফুল ছিটিয়ে গলায় ফুলের মালা পড়িয়ে প্রাণের ভালোবাসায় বরণ করে নেন। নেতাকর্মীরা জানান, ষোল বছর আগেই আমরা তাকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করতে চেয়েছিলাম। ষোল বছর পর আজ আমাদের মনের আশা পূরণ হয়েছে। অপর দিকে নির্বাচিত সভাপতি আব্দুল কাদির ভূঞাকেও তার অনুসারীরা ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ যুবমহিলালীগের সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক অপু উকিলকেও ফুলের মালা গলায় পড়িয়ে দিয়ে বরণ করে নেন। তৃণমূল নেতাকর্মীরা দাবী করেন, এই সম্মেলনটি যাতে উৎসবমুখর হয়, সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে যাতে হয় নির্বাচনটি প্রাণবন্ত সেটি চেয়েছিলেন অধ্যাপক অপু উকিল। সেই লক্ষ্যেই গত কয়েকদিন ধরে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলেন তৃণমূল নেতাকর্মী ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে। তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তারা অধ্যাপক অপু উকিলকেও নির্বাচিত সভাপতি সাধারন সম্পাদকের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

 

19total visits,1visits today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *