সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাবিতে ফরম বিক্রি ২৯ কোটি টাকার, আসনপ্রতি লড়বে ৪৮ জন ভোজ্য তেল মজুদে তেলেসমাতি, খুলনায় সোয়া ২ লাখ লিটার উদ্ধার আবার বাড়ছে পেঁয়াজের দাম আমাদের যখন সাকিবকে খুব দরকার হয়, তখন আমরা তাকে পাই না: পাপন পা পিছলে ট্রেনের নিচে বিচ্ছিন্ন হলো দিনমজুরের হাত-পা, ‘এই বাঁইচ্যা থাইক্যা লাভ কী, কেমনে চলবো আমার জীবন !’ শিশুরা খেলাধুলা করলে ভুল পথে যাবে না : প্রধানমন্ত্রী দিবাস্বপ্ন দেখবেন না, বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রমশ দুর্বল অশনির গতি এখন বাংলাদেশ! বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রোজা ঈদ যাতায়াতে সড়কে নিহত ৬৮১, দুর্ঘটনার ৫১ ভাগ মোটরসাইকেল

ডাক্তারের সেবার নমুনা! বেতন ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা- সপ্তাহে রোগী দেখেন দুই ঘণ্টা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১২২ Time View

কালের কন্ঠ(আঞ্চলিক প্রতিনিঘধ): সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বহির্বিভাগে থাকার কথা কর্মরত চিকিৎসকদের। কিন্তু এ নিয়মের তোয়াক্কা না করে সপ্তাহে দুই দিন এসে বহির্বিভাগে রোগী দেখছেন, তা-ও মাত্র এক ঘণ্টার জন্য। এরপর হাসপাতাল এলাকায়ই একটি ফার্মেসিতে বসে প্রাইভেট রোগী দেখে পকেট ভর্তি করেন। অথচ সরকারি হাসপাতালে ডিউটির জন্য সরকার মাস শেষে ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা বেতন দেয় তাঁকে। বেতন পুরোটা নিলেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন না এক আনাও। তাঁর এমন ফাঁকিবাজির কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাচ্ছে না সাধারণ রোগীরা। এ অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি) দেলোয়ারা পারভিন ডলির বিরুদ্ধে।

হাসপাতালের প্রশাসনিক দপ্তর ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ১৮ জুন ডা. ডলি যোগ দেন নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এরপর থেকেই তিনি সপ্তাহে শুধু রবি ও বৃহস্পতিবার কর্মস্থলে আসছেন। এ অবস্থায় গাইনি চিকিৎসকের চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে আগত রোগীরা। হাসপাতাল সূত্র জানায়, বেশ কয়েকবার কর্মস্থলে না থাকার দায়ে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) জারির পরও তিনি তাঁর ইচ্ছামাফিক কর্মস্থলে যাওয়া-আসা করছেন। সপ্তাহে দুই দিন এলেও আউটডোরে (বহির্বিভাগ) আসেন ১২টার পর। ১টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে তিনি হাসপাতাল এলাকার নাসির মেডিক্যাল হলে রোগী দেখা শুরু করেন।

গত শনি ও রবিবার সকাল থেকে হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা গেছে, শনিবার তিনি কর্মস্থলে না এলেও রবিবার বহির্বিভাগে প্রায় ঘণ্টাখানেক অবস্থান করে দুপুর ১টার কিছু আগে নাসির মেডিক্যাল হল নামে একটি ফার্মেসিতে প্রবেশ করেন। সেখানে রোগী দেখেন খুব মনোযোগ সহকারে। ফার্মেসির মালিক নাসির উদ্দিন স্বীকার করেছেন, চিকিৎসক ডলি সপ্তাহে তিন দিন রোগী দেখেন তাঁর ফার্মেসিতে বসে।

এভাবে লাটসাহেবি কায়দায় দায়িত্বে ফাঁকি ও ইচ্ছামতো সময়ে ডিউটির কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডা. দেলোয়ারা পারভিন ডলি জানান, ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন অফিসে জরুরি কাজ আছে বলেই সময়ের আগে চলে গিয়েছিলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার দপ্তরে গতকাল রবিবার চিকিৎসক ডলির কোনো ধরনের কাজ ছিল না। তিনি মিথ্যা কথা বলেছেন।’

নান্দাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা (ইউএইচও) ডা. কাজী এনামুল হক বলেন, ‘তিনি (চিকিৎসক ডলি) কখন চলে গেছেন তা বলতে পারব না। তবে গত শনিবার বিনা কারণে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় তাঁকে শোকজ করা হয়েছিল।’

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews