শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
১০ ডিসেম্বর কী হচ্ছে, লোক মুখে সংশয় ও শঙ্কা এটাই কি ছাত্রলীগ! এমন ছাত্রলীগ চাই না: ওবায়দুল কাদের ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক কর্তৃক নান্দাইল ডিসি পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এক যুবকের প্রেমে পড়ে পাঁচ তরুণীর মারামারি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে জঙ্গি ছিনতাই সেই ঈদী অমি ফের রিমান্ডে দীর্ঘ ৬ বছর পর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। এ নিয়ে ময়মনসিংহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা এবং উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নান্দাইল উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব:) আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহান প্রকৃতি রক্ষায় বিশ্বকে অর্থায়ন দ্বিগুণ করতে হবে : জাতিসংঘ একদিন পরও মামলা হয়নি প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা নান্দাইল উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সমাপ্ত

ভিডিও প্রকাশের পর সাধনার নতুন কুকীর্তি ফাঁস

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৯
  • ৭৩ Time View

সংগৃহীত

জিএসএন ডেস্ক: জামালপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের নারী কেলেঙ্কারির ভিডিও প্রকাশের পর তাকে ওএসডি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তার স্থানে নতুন এক ডিসিকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এ খবর জানাজানির পর থেকেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারী (পিয়ন) সানজিদা ইয়াসমিন সাধনাকে নিয়ে কথা বলতে ডিসি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সাহসী হতে শুরু করেছেন।

যারা ভয়ে এতোদিন আহমেদ কবীর ও তার শয্যাসঙ্গিনী নিয়ে কোনো কথা বলেননি, তারাও মুখ খুলতে শুরু করেছেন। একে একে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে তার সব কৃতকর্ম।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, সানজিদা ইয়াসমিন অফিসে দোর্দণ্ড প্রতাপে দাপিয়ে বেড়াতেন। শুধু কর্মচারীরাই নন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও তিনি পাত্তা দিতেন না। চাকরি হারানোর শঙ্কায় প্রতিবাদ করতে সাহস পেতেন না কেউ।

এবার তারাই সাধনার নতুন এক কুকীর্তির কথা জানিয়েছে, সেটা হলো- প্রথম স্বামীর মৃত্যুর পর সে টাঙ্গাইলের এক পুলিশ কনস্টেবলের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন।

সানজিদার জন্ম জামালপুর শহরের পাথালিয়া গ্রামে। মা ফেলানী বেগম। বাবা অহিজুদ্দিন। বাবার পেশা ছিল ঘোড়ার গাড়ি দিয়ে মালামাল আনা-নেওয়া। সানজিদার জন্মের সময় অহিজুদ্দিনের ঘরে দেখা দেয় অভাব।

সানজিদার বয়স যখন সাত দিন, তখন অভাবের তাড়নায় তাকে দত্তক দেন মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ি ইউনিয়নের সুখনগরী গ্রামের নিঃসন্তান খাজু মিয়া ও নাছিমা আক্তার দম্পতির কাছে।

তাদের লালন-পালনে বেড়ে ওঠা সানজিদার লেখাপড়া চলাকালেই বিয়ে হয় একই উপজেলার জোনাইল গ্রামের বেসরকারি কোম্পানির কর্মচারী জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে। তাদের ঘরে পূর্ণ নামের এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। ২০০৯ সালে মারা যান সানজিদার স্বামী। স্বামীর মৃত্যুর পর তার পালক পিতা-মাতার সঙ্গে জামালপুর শহরের বগাবাইদ গ্রামে বসবাস শুরু করেন। পরে টাঙ্গাইলের এক পুলিশ কনস্টেবলের সঙ্গে পালিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন তিনি।

সানজিদার উশৃঙ্খল জীবনযাপন ও অবাধ চাল-চলনের কারণে টেকেনি দ্বিতীয় বিয়েটিও। দ্বিতীয় বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর তিনি নিজ ঘরেই দোকান দিয়ে বিক্রি করতেন দেশি-বিদেশি প্রসাধনী। সেই ব্যবসাতেও টিকতে না পেরে শুরু করেন হস্তশিল্পের ব্যবসা। ২০১৮ সালের উন্নয়ন মেলায় হস্তশিল্পের স্টল বরাদ্দ নিয়েই ডিসি আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে উঠে।

সাধনার বিশেষ কিছু সমস্যার মধ্যে মাথায় চুল না থাকা অন্যতম। সে পরচুলা পরে মাথা ঢেকে রাখে হিজাবে। কোন একটি বিশেষ রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে শিশুকালে মাথার চুল ও ভ্রু উঠে যায় তার। বিভিন্ন সময় চিকিৎসা নিলেও সানজিদার মাথায় চুল আর উঠেনি।

Print Friendly, PDF & Email
Spread the love
  •  
  •  
  •  

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: রায়তা-হোস্ট
raytahost-gsnnews