1. admin@www.gsnnews24.com : admin : সাহিত্য বিভাগ
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের শিশু সহ ৬ জন দগ্ধ সদরঘাটে লঞ্চের দড়ি ছিঁড়ে ৫ জনের মৃত্যু : আসামিদের তিন দিনের রিমান্ড নান্দাইলে নিরীহ ব্যাক্তির দোকানপাটে প্রতিপক্ষের হামলা ॥ লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই নান্দাইল প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সম্মানে সবুজ আন্দোলন ও সেবা ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল নান্দাইলে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর পুরাতন ডিলার ও উপকারভোগী তালিকা বাতিলের দাবী শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ বৃহস্পতিবার পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় হরিরামপুরে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ যৌথ বাহিনীর অভিযানে বান্দরবানে আটক ৪৯ নান্দাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-পুরুষ দুইজন নিহত

জাতীয়

শিরোনাম

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ ত্রিশালের পাঁচ রাজাকারের রায় সোমবার

  • Update Time : রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ৫৪ Time View

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে ময়মনসিংহ ত্রিশালের মো. হরমুজ আলীসহ পাঁচ রাজাকারের মামলার রায় আগামীকাল সোমবার ঘোষণা করা হবে।

 

বিচারপতি মো. শাহীনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজ রোববার এ দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়েছিল।

এ মামলার ৮ আসামির ছয়জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর মধ্যে কারাগারে মারা যান তিনজন- জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি এমএ হান্নান, তার ছেলে রফিক সাজ্জাদ ও মিজানুর রহমান মিন্টু। বাকি তিন আসামি হরমুজ আলী, আব্দুস সাত্তার ও খন্দকার গোলাম রব্বানী বর্তমানে কারাগারে আছেন। এ ছাড়া খন্দকার গোলাম ছাব্বির আহমাদ ও ফখরুজ্জামান পলাতক।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত হত্যা, গণহত্যা. নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সাত ধরনের ছয়টি অভিযোগ রয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে।

২০১৫ সালের ১৯ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রহমানের স্ত্রী রহিমা খাতুন এ মামলা দায়ের করেন। ময়মনসিংহ-১ আমলি আদালতের বিচারক পরে মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেন।

 

 

 

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন শান্তি কমিটির ময়মনসিংহ শহর শাখার আহ্বায়ক ছিলেন এমএ হান্নান। তার নির্দেশে রাজাকার কমান্ডার আনিসুর রহমান মানিক, সামসুল হক বাচ্চুসহ পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা ত্রিশালের কালির বাজার এবং কানিহারী এলাকায় শতাধিক গণহত্যা, কয়েক কোটি টাকার সম্পদ লুণ্ঠন, ধর্ষণ, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগ করে।

এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মতিউর রহমান ২০১৫ সালের ২৮ জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ১১ জুলাই পর্যন্ত তদন্ত করেন। ২০১৬ সালের ১১ জুলাই তদন্ত সংস্থা আটজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন দাখিল করে।

Spread the love

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews