1. admin@www.gsnnews24.com : admin : সাহিত্য বিভাগ
শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের শিশু সহ ৬ জন দগ্ধ সদরঘাটে লঞ্চের দড়ি ছিঁড়ে ৫ জনের মৃত্যু : আসামিদের তিন দিনের রিমান্ড নান্দাইলে নিরীহ ব্যাক্তির দোকানপাটে প্রতিপক্ষের হামলা ॥ লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই নান্দাইল প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের সম্মানে সবুজ আন্দোলন ও সেবা ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল নান্দাইলে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর পুরাতন ডিলার ও উপকারভোগী তালিকা বাতিলের দাবী শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ বৃহস্পতিবার পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় হরিরামপুরে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার ঈদ সামগ্রী বিতরণ যৌথ বাহিনীর অভিযানে বান্দরবানে আটক ৪৯ নান্দাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-পুরুষ দুইজন নিহত

জাতীয়

শিরোনাম

নিয়োগ জালিয়াতি: ফেঁসে যাচ্ছে চরফ্যাসনের পিয়ন ফিরোজ!

  • Update Time : শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩
  • ৬৮ Time View
মিথ্যা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এমএলএসএস (পিয়ন) পদে চাকরি করছেন মো. ফিরোজ নামের এক কর্মচারি। ভোলা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হয়েও ভূয়া কাগজপত্র তৈরির মাধ্যমে ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা দেখিয়ে তিনি এ পদে চাকরি নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক আইনজীবী।  বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আসলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
অ্যাড. নুরে আলম নোমান সালমান লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে এমএলএসএস পদে লোক নিয়োগের বিজপ্তি দেওয়া হয়েছিল। শুধুমাত্র ঢাকা জেলার বাসিন্দাদের কাছ থেকে এ পদে আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। অথচ মো. ফিরোজ ভিন্ন জেলা ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. ইউছুপ, মায়ের নাম ময়ফুল। স্থায়ী ঠিকানা গ্রাম আমিনাবাদ, ওয়ার্ড নং ৫, ডাকঘর আমিনাবাদ, উপজেলা চরফ্যাসন, জেলা ভোলা। শুধু তা-ই নয় তার বাপ-দাদার স্থায়ী ঠিকানাও ভোলা জেলায়।
ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ফিরোজ ভোলা জেলার বাসিন্দা হওয়ার কারণে প্রথমে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়নি। পরে তিনি ঢাকার জনৈক অহিদউল্লাহকে ভূয়া মামা পরিচয় দিয়ে ও তার পালক সন্তান দেখিয়ে আবার কাগজপত্র জমা দেন। এভাবে প্রতারণার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করে ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এমএলএসএস পদে চাকরিতে  নিয়োগ লাভ করেন।
এ পদের চাকরিতে দীর্ঘ অর্ধযুগ ধরে বহাল তবিয়তে থাকাকালীন তার নানা পরিবর্তন লক্ষ্যনীয় হয়ে ওঠে। সামান্য এমএলএসএস পদে চাকরিতে তার বেতনের আয়ের সাথে ব্যয়ের কোন সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যায় না। কোটি টাকা ব্যায়ে জমি ক্রয় ও ইমারত নির্মাণ নিয়ে তাই নানা প্রশ্ন ওঠে। ইতোমধ্যে তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জে ৫ কাঠা জমি ক্রয় করে বাড়ি নির্মাণসহ চরফ্যাসন পৌর এলাকায় উচ্চমূল্যে ৬ কাঠা দামী জমি কিনে ইমারত নির্মান করেছেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
মো. ফিরোজ দাখিল ও আলীম পাশ করেন চরফ্যাসন আমিনাবাদের মাদ্রাসা থেকে। ফিরোজের অন্য সব ভাইবোন স্থায়ীভাবে ভোলার চরফ্যাসনের আমিনাবাদ গ্রামে বসবাস করেন। ফিরোজের নামে চরফ্যাসন উপজেলার ৫ নং আমিনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নাগরিক সনদের কপিও রয়েছে। উপরোক্ত তথ্যদিতে প্রমাণিত হয় যে, ফিরোজ ভোলা জেলার চরফ্যাসন উপজেলার আমিনাবাদ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। ফিরোজ তার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ হিসাবেও পরিচয় দিয়ে থাকেন। তার এসব প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড ও  মিথ্যা-জালজালিয়াতির তথ্য দিয়ে চাকরিতে বহাল থাকায় রাষ্ট্রের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগে তুলে ধরা হয়েছে। যা ফৌজদারি অপরাধের শামিল বলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়।
এ ব্যাপারে জানতে ঢাকা জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ অভিযোগটি আমার নজরে আসেনি। তিনি খবরটি প্রকাশ করার কথা জানান। অভিযোগপত্রটি তার অফিসিয়াল ইমেইলে দেয়ার কথাও বলেন।
Spread the love

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024
Theme Customized By BreakingNews